বাসুদেব কৃষ্ণের ভক্তিধারা নিয়ে সৃষ্ট ইসকনের যাত্রা শুরু ১৯৬৬ সালে নিউ ইয়র্কে। যার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন স্বামী প্রভুপাদ। তবে বাংলাদেশে ইসকনের কার্যক্রম নিয়ে প্রথম ১৯৭৫ সালে আয়ারল্যান্ডের একজন ও কানাডার দুই নাগরিক আসেন। প্রথমে তারা ঢাকার ৬১ তেজকুনিপড়ায় অফিস খোলেন। বিভিন্ন সময় বিতাড়ন ও পুন:গমন প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশে তাদের মন্দিরের সংখ্যা প্রায় ৭১টি।
ইসকনের এই আকাশ ছোঁয়া উন্নতি দেখে বাংলাদেশের ইসলামিক উগ্রবাদী সংগঠনগুলো ব্যাপক ষড়যন্ত্র করতে লেগে পড়েছে। ইসকনকে এক শ্রেণীর উগ্রপন্থী জঙ্গী সংগঠন আখ্যায়িত করে ইসকন মন্দিরে আক্রমণ চালানোর পরিকল্পনা করেছে বলে এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। বাংলাদেশের তাবড় তাবড় ইসলামিক সংগঠন এতে জড়িত রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
অবশ্য আজ অবধি ইসকনের চরমপন্থার কোনো প্রমাণ নেই। তারা ইসকনকে চরমপন্থী সংগঠন হিসাবে ট্যাগ দিয়ে বাংলাদেশের ইসকন মন্দিরে আক্রমণ করতে চায়। তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও ইসকন মন্দিরে বহুবার আক্রমণ করা হয়েছে।
তাদের মূল উদ্দেশ্য, ইসকনের নামে গুজব ছড়িয়ে কট্টরপন্থীদের ভীড় জমা করা এবং মন্দিরে হামলা চালানো। বাংলাদেশ হিন্দু মন্দিরে হামলার ঘটনা খুবই সাধারণ। আর এখন ISCON এর মন্দিরেও ভাঙচুর করার পরিকল্পনা তৈরিতে মেতেছে কট্টরপন্থীরা।
২০২০ সালে ঢাকার একটি আদালতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন আনসার-আল-ইসলামের পাঁচ সদস্যকে চার দিনের রিমান্ডে রাখার খবর সামনে এসেছিল। রিমান্ডভুক্ত সন্দেহভাজন জঙ্গীদের নাম- নিজাম উদ্দিন (২১), রায়হান ভূঁইয়া (২০), হানিফ উদ্দিন সুমন (১৯), শেখ ইফতেখারুর ইসলাম ওরফে আরিফ (২৫) এবং মুফতি মুসলিম (২৭)। খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, এই জঙ্গীরা রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ চেতনা (ইসকন) মন্দিরে নাশকতার পরিকল্পনা কষেছিল।
from India Rag https://ift.tt/3xaie6k
No comments:
Post a Comment